সর্বশেষ

Sunday, May 03, 2026

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।



নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকায় ছাত্রদলের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংগঠনিক সেশনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাঈম মোবাশ্বের। তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সেশন আয়োজনের মাধ্যমে তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রদলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামীর বাংলাদেশের জন্য দক্ষ ও সচেতন নেতৃত্ব গড়ে তোলায় তার এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণে অতীতে তিনি কারাবরণ করেছেন। দলীয় একাধিক সূত্র ও ঘনিষ্ঠদের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বালির টাক দিয়ে অবরোধ করার সময় আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় পল্টনে আন্দোলনরত অবস্থায় তাকে এরেস্ট করে এবং ২টি মামলায় তিনি আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং ১ নম্বর আসামি হিসেবে ২০১৫ সালে দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই সময় তিনি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজ অবস্থান মোকাবিলা করেন এবং কারাবস্থাতেও সাংগঠনিক যোগাযোগ অটুট রাখেন। যা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সম্পৃক্ততার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

সম্প্রতি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্তির পর তিনি প্রশিক্ষণ কাঠামো শক্তিশালী করা, নতুন কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

একই সঙ্গে তিনি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি), ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ভূমিকায় তিনি পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয়, সংগঠন বিস্তার এবং উন্নয়নমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।
এর আগে তিনি গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন সক্রিয় রাখা, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল-এর সঙ্গেও তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।



সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বেকারত্ব হ্রাসে সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কার্যক্রমে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তার এই নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করেছেন সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহল।

Saturday, May 02, 2026

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১বছরের এক কিশোরী

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১বছরের এক কিশোরী


 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি, শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ 


 


নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের পর বর্তমানে মেয়েটি ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল পায়তারার চেষ্টা করছে। এদিকে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন আমান উল্লাহ সাগর।


 


অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।


 


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচাহাড় গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। এই মাদ্রাসায় আশেপাশে এলাকার মেয়েরা লেখাপড়া করেন। একই এলাকার স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার একমাত্র মেয়ে ওই কিশোরী। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কিশোরীর মা সিলেটে গৃহ পরিচালিকার কাজ করেন। ওই মেয়েটি নানীর কাছে থেকে ওই মহিলা কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতেন। এর মধ্যে গত বছর নভেম্বর মাসে আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে না জানাতে প্রাণনাশে ভয় দেন সাগর। পরে তার আরেক শিক্ষককে বলে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন তিনি। পাঁচ মাস পার হওয়ার পর কিশোরী মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন আসে। সন্দেহ হলে মেয়েটির মা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে সে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক সাগরের ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার বিষয়টি তার মাকে জানায়। ঘটনাটি জেনে কিশোরীর মা এলাকায় আসেন বিচার চাইতে। আমান উল্লাহর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার না পেয়ে উল্টো তাদের হুমকির ধমকিতে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।


 


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন ফাতেমা তু জোহরা মাদ্রাসা পরিচালক ও শিক্ষক আমানুল্লাহ সাগরের নির্দেশে প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই মেয়েটিকে কোন একটি অজুহাত দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় মেয়েটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি শুনে বুঝতে পেরেছি কেন তাকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল


 


অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির স্বজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। নানার বাড়িতে থেকে সাগর হুজুরের মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। সাত-আট মাস আগেও তিনি মেয়েটিকে শারীরিকভাবে যৌন হয়রানি করেন আমান উল্লাহ। তারা এলাকার প্রভাবশালী, আমরা নিরীহ মানুষ। এলাকায় থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কিছু করার সাহস সামর্থ্য কোনটাই আমাদের নেই। এরপর ৪-৫ মাস আগে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেন সাগর। এখন তো সে প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শিশু মেয়েটির উপর পাশ্ববিক নির্যাতনের বিচারের সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।


 


আমান উল্লাহ সাগরের বড় ভাই মামুন মিয়া জানান, আমাদের কাছে কেউ বিচার চাইতে আসেনি। কয়েকদিন আগে ওই মেয়েটির মা বাড়িতে এসেছিল। পরে মানুষের মুখে শুনেছি আমার ভাই সাগরের ধর্ষণে নাকি তার মেয়ে ছয় মাসে অন্তঃসত্তা। আমি দুইদিন আগে মেয়েটির নানার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছিলাম। তারা এখানে নেই। তবে যদি ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আমিও চাই সুষ্ঠু বিচার হোক। তবে এ ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তার ভাই লোক লজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছে।


 


নাম প্রকাশ না করার শর্তে হযরত ফাতেমাতু যযাহরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন, শুনেছি ওই এলাকার আমাদের মাদ্রাসার একটি কিশোরী মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। গত চার পাঁচ মাস আগে মেয়েটিকে আমান উল্লাহ হুজুর কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন।


 


কাইটাইল ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল মিয়া বলেন, মানুষের মুখে শুনেছি মেয়েটির মা এলাকায় এসেছিল তার মেয়ের ধর্ষণের বিচার চাইতে। আমান উল্লাহ সাগরের ধর্ষণে নাকি ওই মেয়েটি অন্তঃসত্তা হয়েছে। মেয়েটির মা এলাকার অনেকের কাছেই বিচার চাইতে গিয়েছিল। কেউ এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলতে চায়নি।


 


এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হাসনাত জামান জানান, এরকম কোন ঘটনা আমি জানিনা। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Saturday, April 25, 2026

ধর্ষ*ণের শিকার

ধর্ষ*ণের শিকার


 একজন গর্ভবতী নারী। বাড়ি টাঙ্গাইল। পেটে ৩-৪ মাসের অনাগত সন্তান। সেই নারী ধর্ষ*ণের শিকার হয়েছেন। শুধু ধর্ষ*ণেই শেষ নয়; ৩-৪ মাসের সন্তানসহ তাঁকে নির্মমভাবে হ-ত্যা করা হয়েছে। এমনকি, পেটের শিশুটিকেও বের করে ফেলা হয়েছে।

Monday, April 06, 2026

ইরান ইজরায়েল যুদ্ধ কি দীর্ঘস্থায়ী?

ইরান ইজরায়েল যুদ্ধ কি দীর্ঘস্থায়ী?

 

বিশ্লেষণ: ইরান-ইসরাইল কি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পথে? ৫টি কারণে মনে হচ্ছে দ্রুতই থামবে এই সংঘাত


​ডেস্ক রিপোর্ট | ৬ এপ্রিল, ২০২৬


​ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার বর্তমান উত্তেজনা দেখে অনেকেই আশঙ্কা করছেন এটি হয়তো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং পর্দার আড়ালের সমীকরণগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই যুদ্ধ খুব বেশিদিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। নিচে ৫টি প্রধান কারণ তুলে ধরা হলো:


​১. ট্রাম্পের 'সম্মানজনক প্রস্থান' নীতি:

ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বারবার স্পষ্ট করছেন যে তিনি কোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়াতে চান না। তিনি ইতোমধ্যে সাতবার প্রকাশ্যে বলেছেন, আমেরিকা তাদের লক্ষ্য পূরণ করেছে। আসলে ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি পথ খুঁজছে যেখানে নিজেদের 'বিজয়ী' ঘোষণা করে এবং আমেরিকার মান-সম্মান বজায় রেখে এই সংঘাত থেকে বের হওয়া যায়।


​২. বৈশ্বিক কর্পোরেট স্বার্থ ও মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি:

আমেরিকার বড় বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন ব্ল্যাক রক, ভ্যানগার্ড) মধ্যপ্রাচ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা রয়েছে। ইরান পুরোপুরি ধ্বংস হওয়া মানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ধসে পড়া। এই মেগা কর্পোরেশনগুলো কখনোই তাদের বিনিয়োগ করা অঞ্চলে এমন ধ্বংসলীলা চাইবে না যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী লোকসান ঘটাবে।


​৩. স্বর্ণ ও তেলের বাজারের অস্বাভাবিক আচরণ:

সাধারণত বড় কোনো যুদ্ধ শুরু হলে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে বাড়ে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা উল্টো চিত্র দেখছি—স্বর্ণের দাম বরং কমছে। এটি একটি বড় ইঙ্গিত যে, বিশ্ববাজারের বড় বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন না যে এই যুদ্ধ দীর্ঘ হবে। এছাড়া তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা থেকেও বোঝা যায় আমেরিকা বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেশি আগ্রহী।


​৪. আরব দেশগুলোর স্মার্ট অবস্থান:

সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান এবং তুরস্কের মতো দেশগুলো এবার অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এই যুদ্ধে সরাসরি জড়াবে না। এমনকি কাতার বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও শান্তির কথা বলছে। এর থেকে বোঝা যায়, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পর্দার আড়ালে এমন কোনো সমঝোতা হয়েছে যা যুদ্ধের বিস্তার রোধ করবে।


​৫. রাশিয়া ও চীনের নেপথ্য শক্তি:

ইরান যেভাবে আমেরিকার অত্যাধুনিক ড্রোন বা বিমান ভূপাতিত করার সক্ষমতা দেখাচ্ছে, তার পেছনে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এছাড়া খোদ আমেরিকার ভেতরেই এই যুদ্ধ অত্যন্ত অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় বাইডেন বা ট্রাম্প—কারও পক্ষেই একে দীর্ঘ করা সম্ভব নয়।


​উপসংহার: সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, আমেরিকা হয়তো বড় কোনো একক অপারেশন চালিয়ে নিজেদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করবে এবং এরপরই একটি যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটবে। ইরান টিকে থাকবে এবং যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সহায়তায় ইরান পুনর্গঠনের একটি নতুন অর্থনৈতিক অধ্যায় শুরু হতে পারে। তবে এই যুদ্ধের রেশ ধরে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও দীর্ঘ সময় থাকবে।

​#Geopolitics #IranIsrael #WorldOrder #EconomicImpact #MiddleEastNews #BreakingNews #BDNEWS

Sunday, April 05, 2026

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

 

⚠️ ব্রেকিং নিউজ: আবারো বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫ এপ্রিল, ২০২৬


​সাধারণ মানুষের পকেটে টান দিয়ে আবারও বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। আইএমএফ-এর ঋণের কিস্তি নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার অজুহাতে লিটার প্রতি তেলের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সক্রিয় চিন্তা করছে সরকার।


​কেন এই দাম বৃদ্ধি?


সূত্রমতে, আগামী ১৩ এপ্রিল ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসতে যাচ্ছে। সেই বৈঠকের আগেই ঋণের শর্ত হিসেবে ভর্তুকি কমাতে তেলের দাম বাড়ানোর চাপ রয়েছে। এছাড়া ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তাকেও অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


​কী বলছেন সংশ্লিষ্টরা?


অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি করে বর্তমান দামে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দাম সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

​কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?

জ্বালানি ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর অপেক্ষায়। সবুজ সংকেত পেলেই চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন সরকারকে জ্বালানি খাতে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।


​তীব্র গরমের মধ্যে তেলের এই বাড়তি দাম সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিত্যপণ্যের বাজারে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা।


​আপনার মতামত কী? তেলের দাম বাড়লে আপনার ওপর কেমন প্রভাব পড়বে? কমেন্টে জানান।


​#FuelPriceHike #BangladeshNews #EconomicUpdate #BDNEWS

Saturday, April 04, 2026

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকা ধরাশায়ী, বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকা ধরাশায়ী, বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।

 

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকার বড় ধাক্কা: যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২৬ — মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে আমেরিকা এখন পর্যন্ত তার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। ইরানের পাল্টা আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নষ্ট হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে, যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে অভিহিত করেছে। ইরান এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে শত শত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে।

ইরানের আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি:

মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৭টি আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেসে অবস্থিত অত্যাধুনিক AN/FPS-132 রাডার সিস্টেমসহ মূল্যবান সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে, যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার।

বাহরাইনের ফিফথ ফ্লিট সদর দপ্তর, কুয়েতের আলি আল সালেম ও ক্যাম্প আরিফজান, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বেসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।

প্রথম দুই সপ্তাহেই ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS) এর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। কোনো কোনো প্রতিবেদনে প্রথম কয়েক দিনেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার দাবি করেছে ইরান, যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করেনি।

ইরানের এই প্রতিরোধ যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং তেল পরিবহনে চীনা ইউয়ানে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাদের অভিযান ইরানের নিউক্লিয়ার ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে দুর্বল করেছে। তবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ দেখিয়ে দিয়েছে যে তেহরান এখনও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। যুদ্ধ শুরুর এক মাস পরেও সংঘাত অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষণ এখনও স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে আমূল বদলে দিতে পারে। ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক কৌশলকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। বিশ্ববাসী উভয় দেশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।

#ইরানযুদ্ধ #ইরানআমেরিকা #মধ্যপ্রাচ্যসংঘাত #USIranWar