Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts
Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts

Monday, April 06, 2026

ইরান ইজরায়েল যুদ্ধ কি দীর্ঘস্থায়ী?

ইরান ইজরায়েল যুদ্ধ কি দীর্ঘস্থায়ী?

 

বিশ্লেষণ: ইরান-ইসরাইল কি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পথে? ৫টি কারণে মনে হচ্ছে দ্রুতই থামবে এই সংঘাত


​ডেস্ক রিপোর্ট | ৬ এপ্রিল, ২০২৬


​ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার বর্তমান উত্তেজনা দেখে অনেকেই আশঙ্কা করছেন এটি হয়তো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং পর্দার আড়ালের সমীকরণগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই যুদ্ধ খুব বেশিদিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। নিচে ৫টি প্রধান কারণ তুলে ধরা হলো:


​১. ট্রাম্পের 'সম্মানজনক প্রস্থান' নীতি:

ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বারবার স্পষ্ট করছেন যে তিনি কোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়াতে চান না। তিনি ইতোমধ্যে সাতবার প্রকাশ্যে বলেছেন, আমেরিকা তাদের লক্ষ্য পূরণ করেছে। আসলে ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি পথ খুঁজছে যেখানে নিজেদের 'বিজয়ী' ঘোষণা করে এবং আমেরিকার মান-সম্মান বজায় রেখে এই সংঘাত থেকে বের হওয়া যায়।


​২. বৈশ্বিক কর্পোরেট স্বার্থ ও মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি:

আমেরিকার বড় বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন ব্ল্যাক রক, ভ্যানগার্ড) মধ্যপ্রাচ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা রয়েছে। ইরান পুরোপুরি ধ্বংস হওয়া মানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ধসে পড়া। এই মেগা কর্পোরেশনগুলো কখনোই তাদের বিনিয়োগ করা অঞ্চলে এমন ধ্বংসলীলা চাইবে না যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী লোকসান ঘটাবে।


​৩. স্বর্ণ ও তেলের বাজারের অস্বাভাবিক আচরণ:

সাধারণত বড় কোনো যুদ্ধ শুরু হলে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে বাড়ে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা উল্টো চিত্র দেখছি—স্বর্ণের দাম বরং কমছে। এটি একটি বড় ইঙ্গিত যে, বিশ্ববাজারের বড় বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন না যে এই যুদ্ধ দীর্ঘ হবে। এছাড়া তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা থেকেও বোঝা যায় আমেরিকা বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেশি আগ্রহী।


​৪. আরব দেশগুলোর স্মার্ট অবস্থান:

সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান এবং তুরস্কের মতো দেশগুলো এবার অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এই যুদ্ধে সরাসরি জড়াবে না। এমনকি কাতার বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও শান্তির কথা বলছে। এর থেকে বোঝা যায়, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পর্দার আড়ালে এমন কোনো সমঝোতা হয়েছে যা যুদ্ধের বিস্তার রোধ করবে।


​৫. রাশিয়া ও চীনের নেপথ্য শক্তি:

ইরান যেভাবে আমেরিকার অত্যাধুনিক ড্রোন বা বিমান ভূপাতিত করার সক্ষমতা দেখাচ্ছে, তার পেছনে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এছাড়া খোদ আমেরিকার ভেতরেই এই যুদ্ধ অত্যন্ত অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় বাইডেন বা ট্রাম্প—কারও পক্ষেই একে দীর্ঘ করা সম্ভব নয়।


​উপসংহার: সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, আমেরিকা হয়তো বড় কোনো একক অপারেশন চালিয়ে নিজেদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করবে এবং এরপরই একটি যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটবে। ইরান টিকে থাকবে এবং যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সহায়তায় ইরান পুনর্গঠনের একটি নতুন অর্থনৈতিক অধ্যায় শুরু হতে পারে। তবে এই যুদ্ধের রেশ ধরে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও দীর্ঘ সময় থাকবে।

​#Geopolitics #IranIsrael #WorldOrder #EconomicImpact #MiddleEastNews #BreakingNews #BDNEWS

Sunday, April 05, 2026

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

 

⚠️ ব্রেকিং নিউজ: আবারো বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫ এপ্রিল, ২০২৬


​সাধারণ মানুষের পকেটে টান দিয়ে আবারও বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। আইএমএফ-এর ঋণের কিস্তি নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার অজুহাতে লিটার প্রতি তেলের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সক্রিয় চিন্তা করছে সরকার।


​কেন এই দাম বৃদ্ধি?


সূত্রমতে, আগামী ১৩ এপ্রিল ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসতে যাচ্ছে। সেই বৈঠকের আগেই ঋণের শর্ত হিসেবে ভর্তুকি কমাতে তেলের দাম বাড়ানোর চাপ রয়েছে। এছাড়া ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তাকেও অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


​কী বলছেন সংশ্লিষ্টরা?


অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি করে বর্তমান দামে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দাম সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

​কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?

জ্বালানি ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর অপেক্ষায়। সবুজ সংকেত পেলেই চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন সরকারকে জ্বালানি খাতে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।


​তীব্র গরমের মধ্যে তেলের এই বাড়তি দাম সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিত্যপণ্যের বাজারে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা।


​আপনার মতামত কী? তেলের দাম বাড়লে আপনার ওপর কেমন প্রভাব পড়বে? কমেন্টে জানান।


​#FuelPriceHike #BangladeshNews #EconomicUpdate #BDNEWS

Saturday, April 04, 2026

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকা ধরাশায়ী, বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকা ধরাশায়ী, বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।

 

ইরানের প্রতিরোধে আমেরিকার বড় ধাক্কা: যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২৬ — মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে আমেরিকা এখন পর্যন্ত তার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। ইরানের পাল্টা আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নষ্ট হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে, যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে অভিহিত করেছে। ইরান এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে শত শত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে।

ইরানের আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি:

মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৭টি আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেসে অবস্থিত অত্যাধুনিক AN/FPS-132 রাডার সিস্টেমসহ মূল্যবান সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে, যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার।

বাহরাইনের ফিফথ ফ্লিট সদর দপ্তর, কুয়েতের আলি আল সালেম ও ক্যাম্প আরিফজান, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বেসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।

প্রথম দুই সপ্তাহেই ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS) এর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। কোনো কোনো প্রতিবেদনে প্রথম কয়েক দিনেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার দাবি করেছে ইরান, যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করেনি।

ইরানের এই প্রতিরোধ যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং তেল পরিবহনে চীনা ইউয়ানে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাদের অভিযান ইরানের নিউক্লিয়ার ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে দুর্বল করেছে। তবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ দেখিয়ে দিয়েছে যে তেহরান এখনও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। যুদ্ধ শুরুর এক মাস পরেও সংঘাত অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষণ এখনও স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে আমূল বদলে দিতে পারে। ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক কৌশলকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। বিশ্ববাসী উভয় দেশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।

#ইরানযুদ্ধ #ইরানআমেরিকা #মধ্যপ্রাচ্যসংঘাত #USIranWar

Thursday, December 18, 2025

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

 ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেলের নিউরো টিমের সদস্য হাদির চিকিৎসক ডা. আব্দুল আহাদ। তিনি জানান, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের নিউরো সার্জিক্যাল টিম তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছে। বাংলাদেশ সময় সাড়ে নয়টার দিকে হাদি মারা যান বলেও জানান তিনি। 

ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে পোস্ট দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।’

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

Sunday, December 14, 2025

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

রপ্তানিকারকদের দ্রুত বৈদেশিক আয় দেশে ফেরত আনা এবং ব্যবসায়িক ঝুঁকি কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানি করা পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বিল কমিয়ে (ডিসকাউন্ট দিয়ে) পরিশোধের আবেদন গ্রহণ করবে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। এর আগে শুধু তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ছিল।

আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

এতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বিদেশি ক্রেতা যদি পণ্যের মান, বাজার পরিস্থিতি বা শিপমেন্ট-সংক্রান্ত কারণে পুরো বিল পরিশোধ না করে কম দামে পরিশোধ করতে চান, তাহলে রপ্তানিকারকরা যাতে দ্রুত তাদের আয় ফেরত আনতে পারেন, সে জন্যই এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নথি ও নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পারবে।

রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় ডিসকাউন্ট কমিটিতে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ) ও বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ)–কে সহ-সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এই সিদ্ধান্ত রপ্তানিকারকদের নগদ প্রবাহ বজায় রাখতে, বিরোধ কমাতে এবং রপ্তানি আয় আইনগতভাবে দেশে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ, যে কোনো পণ্য বিদেশে যে দামে রপ্তানি করা হয়েছে, কোনো কারণে বিদেশি ক্রেতা যদি সেই পুরো মূল্য পরিশোধ না করে কম টাকা দিতে চায়, তাহলে যেই কম দামে পরিশোধ করার অনুরোধ বা দাবি করা হয়, সেটাই হলো ডিসকাউন্ট ক্লেইম।

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে চালু হচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর)। তবে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন নিয়ে উদ্বেগ কমাতে নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে থাকা সব অনিবন্ধিত ফোন আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধন করে বৈধতা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

চোরাচালান, ক্লোনিং, রিফার্বিশড ফোন এবং মোবাইলভিত্তিক ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার এনইআইআর চালুর প্রস্তুতি নিলেও ব্যবসায়ীদের দাবির পর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সব অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের নির্দেশনা ছিল। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনা করে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, যাতে বর্তমানে বাজারে থাকা অনিবন্ধিত সব ফোন বৈধভাবে নিবন্ধনের সুযোগ পায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফোন আমদানিতে কোনো বাধা রাখা হয়নি। কোন কোন মডেল বা কত বছরের পুরোনো ফোন আমদানি করা যাবে। এসব বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে। আমদানির ক্ষেত্রে উপযুক্ত সরকারি সংস্থাকে জানানো বাধ্যতামূলক থাকবে।

এ ছাড়া মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এই প্রক্রিয়ায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করবে। আমদানিকারক ও উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে প্রস্তাব তৈরি করে সরকারকে লিখিতভাবে জানাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং মোবাইল ব্যবসায়ী কমিউনিটির নেতারা অংশ নেবেন এবং সমর্থন জানাবেন।

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩১.৮৯ বিলিয়ন ডলার

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩১.৮৯ বিলিয়ন ডলার

 বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩১.৮৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩১.৮৯ বিলিয়ন ডলার

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩১,৮৯০ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৭২২৪ দশমিক ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর আগে গত ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১,২০৫ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬,৫১০ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।