Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts

Sunday, May 03, 2026

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।



নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকায় ছাত্রদলের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংগঠনিক সেশনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাঈম মোবাশ্বের। তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সেশন আয়োজনের মাধ্যমে তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রদলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামীর বাংলাদেশের জন্য দক্ষ ও সচেতন নেতৃত্ব গড়ে তোলায় তার এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণে অতীতে তিনি কারাবরণ করেছেন। দলীয় একাধিক সূত্র ও ঘনিষ্ঠদের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বালির টাক দিয়ে অবরোধ করার সময় আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় পল্টনে আন্দোলনরত অবস্থায় তাকে এরেস্ট করে এবং ২টি মামলায় তিনি আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং ১ নম্বর আসামি হিসেবে ২০১৫ সালে দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই সময় তিনি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজ অবস্থান মোকাবিলা করেন এবং কারাবস্থাতেও সাংগঠনিক যোগাযোগ অটুট রাখেন। যা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সম্পৃক্ততার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

সম্প্রতি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্তির পর তিনি প্রশিক্ষণ কাঠামো শক্তিশালী করা, নতুন কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

একই সঙ্গে তিনি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি), ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ভূমিকায় তিনি পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয়, সংগঠন বিস্তার এবং উন্নয়নমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম মোবাশ্বের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন।
এর আগে তিনি গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন সক্রিয় রাখা, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল-এর সঙ্গেও তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।



সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বেকারত্ব হ্রাসে সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কার্যক্রমে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তার এই নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করেছেন সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহল।

Sunday, April 05, 2026

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

 

⚠️ ব্রেকিং নিউজ: আবারো বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম!

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫ এপ্রিল, ২০২৬


​সাধারণ মানুষের পকেটে টান দিয়ে আবারও বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। আইএমএফ-এর ঋণের কিস্তি নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার অজুহাতে লিটার প্রতি তেলের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সক্রিয় চিন্তা করছে সরকার।


​কেন এই দাম বৃদ্ধি?


সূত্রমতে, আগামী ১৩ এপ্রিল ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসতে যাচ্ছে। সেই বৈঠকের আগেই ঋণের শর্ত হিসেবে ভর্তুকি কমাতে তেলের দাম বাড়ানোর চাপ রয়েছে। এছাড়া ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তাকেও অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


​কী বলছেন সংশ্লিষ্টরা?


অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি করে বর্তমান দামে সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দাম সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

​কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?

জ্বালানি ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর অপেক্ষায়। সবুজ সংকেত পেলেই চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন সরকারকে জ্বালানি খাতে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।


​তীব্র গরমের মধ্যে তেলের এই বাড়তি দাম সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিত্যপণ্যের বাজারে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা।


​আপনার মতামত কী? তেলের দাম বাড়লে আপনার ওপর কেমন প্রভাব পড়বে? কমেন্টে জানান।


​#FuelPriceHike #BangladeshNews #EconomicUpdate #BDNEWS

Saturday, March 14, 2026

বেঙ্গল প্রেসের বার্তা সম্পাদক হলেন মামুন অর রশিদ বিজন

বেঙ্গল প্রেসের বার্তা সম্পাদক হলেন মামুন অর রশিদ বিজন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেঙ্গল প্রেসের অনলাইন বিভাগের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সাংবাদিক মামুন অর রশিদ বিজন। গত ১ মার্চ রাজধানীর মিরপুরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এক আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে পরিচয়পত্র তুলে দেন সম্পাদক দ্বীপ বিশ্বাস। 

বেঙ্গল প্রেসের বার্তা সম্পাদক হলেন মামুন অর রশিদ বিজন

মামুন অর রশিদ বিজন দীর্ঘ সময় ধরে ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন। সেখান থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর তিনি বেঙ্গল প্রেসের প্রধান কার্যালয়ের বার্তা কক্ষে সরাসরি যুক্ত হলেন। 

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার চিৎলা গ্রামের শফিউর রহমানের (টমা) কনিষ্ঠ পুত্র। সাংবাদিকতা জগতে তাঁর পথচলা শুরু হয় ২০১৭ সালে জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল ‘রাইজিং বিডি’র ক্যাম্পাস রাইটার হিসেবে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী।মেহেরপুরে সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন ‘কাম ফর হিউম্যানিটি’ (সিএফএইচ) তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 


নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর বিজন জানান, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চান।

Tuesday, December 30, 2025

জাতির ইতিহাসে এক অধ্যায়ের অবসান

আর নেই বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া !

বিএনপি চেয়ারপারসন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতি হারাল এক আপসহীন, প্রভাবশালী ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে।

গৃহবধূ থেকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা খালেদা জিয়া প্রায় ৪১ বছর ধরে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিএনপির কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বেই বিএনপি দেশের অন্যতম বৃহৎ ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।

জাতির ইতিহাসে এক অধ্যায়ের অবসান
আর নেই বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া !


আপসহীন নেতৃত্ব ও স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম

স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার পর সংকটময় সময়ে রাজনীতিতে আসেন খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে যোগ দেন, ১৯৮৩ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসীন হন। জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তিনি গড়ে তোলেন সাত-দলীয় জোট, শুরু করেন দীর্ঘ ও আপসহীন আন্দোলন। বারবার গৃহবন্দি ও অন্তরীণ হয়েও তিনি কখনো স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে আপস করেননি। এই সংগ্রামের কারণেই তিনি পরিচিত হন ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস

খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস গড়েন। তার নেতৃত্বে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়, যা দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি মাইলফলক। নির্বাচনে অংশ নিয়ে কখনো নিজের আসনে পরাজিত হননি তিনি।

ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী অবস্থান ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতি

খালেদা জিয়া ছিলেন স্পষ্টভাবে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকেন্দ্রিক রাজনীতির প্রবক্তা। তিনি বারবার দেশের ওপর বিদেশি প্রভাব ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান নিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী দর্শনের ভিত্তিতে তিনি রাষ্ট্রের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের প্রশ্নে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। এই অবস্থান তাকে জনগণের কাছে এক স্বতন্ত্র ও শক্ত নেতৃত্বে পরিণত করে।

ব্যক্তিগত বেদনা ও রাজনৈতিক নিপীড়ন

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে বহু কষ্টের মুখোমুখি হয়েছেন। সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু, মায়ের ইন্তেকাল, বারবার কারাবরণ ও দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবন্দি জীবন তার সংগ্রামের সাক্ষ্য বহন করে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হয়ে ৩৭২ দিন কারাবন্দি থাকেন। ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় আবার কারাগারে যেতে হয় তাকে। পরে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি এবং ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে সম্পূর্ণ দণ্ডমুক্ত হন।

জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার

চার দশকের বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। নির্বাচন, আন্দোলন ও সংসদীয় রাজনীতিতে তার প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। তার নেতৃত্বে বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ধারায় রূপ নেয়।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

খালেদা জিয়া জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট। তার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও শৈশব কেটেছে দিনাজপুরে। দিনাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ইতিহাসে স্থান

শহীদ জিয়াউর রহমানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব হিসেবে খালেদা জিয়া ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও আপসহীন রাজনীতির প্রতীক হয়ে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে।

BD News
শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

Thursday, December 18, 2025

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

 ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মারা গেছেন শরীফ ওসমান হাদি

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেলের নিউরো টিমের সদস্য হাদির চিকিৎসক ডা. আব্দুল আহাদ। তিনি জানান, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের নিউরো সার্জিক্যাল টিম তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছে। বাংলাদেশ সময় সাড়ে নয়টার দিকে হাদি মারা যান বলেও জানান তিনি। 

ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে পোস্ট দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।’

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

Sunday, December 14, 2025

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে যা করণীয়

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে যা করণীয়

নির্দেশনায় অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে দুই জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থা করতে হবে।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে যা করণীয়

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য কেন্দ্রসচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোন কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে ওই কেন্দ্রের পাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাব-সেন্টার করে পরীক্ষা নেয়া যাবে। জানা গেছে, ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বৃত্তি পরীক্ষা চলবে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। এ চিঠি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সব কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিবদের পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে দুই জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রশ্নপত্রের ২ সেট পরীক্ষার তারিখ অনুসারে সেটভিত্তিক আলাদা করে সিকিউরিটি খামে প্যাকেট করতে হবে। শুরুর আগে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক বা অন্য কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করতে হবে, সম্ভব হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

নির্দেশনায় অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান তার বিদ্যালয়ের প্রবেশপত্র নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করবেন এবং ২১ ডিসেম্বরের আগে তা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ নিশ্চিত করবেন।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর সব পরীক্ষার্থী ৮ম শ্রেণির পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিষয়ে পূর্ণনম্বর ১০০ ও পূর্ণসময় ৩ ঘন্টা এবং বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৫০+৫০ নম্বরে, ১.৩০ মিনিট + ১.৩০ মিনিট সময়ে অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা সকাল ১০ টায় শুরু হবে। পরীক্ষা শুরুর সাত দিন আগে ট্রেজারিতে বা থানা লকারের ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের বিবরণী তালিকা ঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইকালে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেন্দ্রসচিব এবং পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও, প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাই-এর দিনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তারিখ ভিত্তিক প্রশ্নপ্রত্রের প্যাকেট সাজিয়ে সিকিউরিটি খামের গাম লাগিয়ে এবং কার্টন টেপে যথাযথভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং সিকিউরিটি খামের ওপর পরীক্ষার তারিখ, বিষয় কোড ও সেট কোড অবশ্যই লিখতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা কেন্দ্রসচিবের দায়িত্বে অবহেলা বলে গণ্য হবে।

ট্রেজারি থেকে পরীক্ষার দিনগুলোতে ট্রেজারি অফিসারের কাছ থেকে ওই দিনের প্রশ্নপত্রের সিকিউরিটি খাম ২ সেট গ্রহণ করতে হবে। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে থানা, ট্রেজারি থেকে পুলিশ প্রহরাসহ প্রশ্নপত্রের প্যাকেট (সিকিউরিটি খাম) কেন্দ্রে আনতে হবে। প্রশ্নপত্র ব্যবহারের এসএমএস মোতাবেক সেট ব্যবহার করতে হবে এবং এসএমএস পাওয়ার পর প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে। অব্যবহৃত সেটের প্রশ্নপত্রের খাম অক্ষত অবস্থায় উপজেলা কমিটির কাছে জমা দিতে হবে। উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির কাছে জমা দেবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন কেন্দ্রসচিব ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থী আসলে কেন্দ্রসচিব বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রার খাতায় রোল নং ও অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারবেন। পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে রেজিস্ট্রার খাতাটি জমা দিতে হবে।

হাদির জন্য গোটা দেশ কাঁদলেও নিশ্চুপ কেন কথিত সেই বুদ্ধিজীবীরা

হাদির জন্য গোটা দেশ কাঁদলেও নিশ্চুপ কেন কথিত সেই বুদ্ধিজীবীরা

গুলিবিদ্ধ শরীফ ওসমান হাদির ওপর নৃশংস হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়কের আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ প্রার্থনা জানালেও, এই ন্যক্কারজনক হামলা নিয়ে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং টক-শো আলোচকদের একাংশের ভূমিকা জনমনে গভীর অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। সামাজিক মাধ্যমে কুখ্যাত এই সুশীলরা খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চিহ্নিত দোসর হিসেবে পরিচিত।


উল্টো জুলাই বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ছড়াচ্ছে বিদ্বেষ, হত্যায় প্ররোচনা
                        হাদির জন্য গোটা দেশ কাঁদলেও নিশ্চুপ কেন কথিত সেই বুদ্ধিজীবীরা

অভিযোগ উঠেছে, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা জুলাই বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন, ফ্যাসিবাদি বয়ানের মধ্যদিয়ে তাদের হত্যাযোগ্য করে তুলছেন। এমনকি হাদির বর্বরোচিত হত্যাচেষ্টার ঘটনাকে প্রকারান্তরে ‘উৎসব’ হিসেবে পালন করতে দেখা গেছে নির্লজ্জ এই দেশবিরোধীদের। গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর পরও হাসিনার দোসরদের আইনের আওতায় না আনায় সরকার ও প্রশাসনের প্রতি চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দেশপ্রেমিক জনতা।

হাদিকে গুলি করার পর সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন সাংবাদিক ও টক-শো ব্যক্তিত্ব আনিস আলমগীর, যিনি গণহত্যাকারী হাসিনার ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ, তিনি লাহোরি নেহারি খাওয়ার ভিডিও পোস্ট করে হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনাকে সেলিব্রেট করেছেন। এছাড়াও গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভুতি প্রকাশকারী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আবদুন নুর তুষার, সাংবাদিক মাকসুদ কামাল, পান্না, নিকোলা ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চিহ্নিত সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুসছেন নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা।

নেটিজেনরা বলছেন, হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আনিস আলমগীর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে 'হাস্যকরভাবে আওয়ামী লীগকে টেনে আনা হচ্ছে' লিখে আওয়ামী লীগকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার মতো আওয়ামী পন্থি অন্যান্য বুদ্ধিজীবীরাও এই সন্ত্রাস বা হত্যাচেষ্টাকে 'সেলিব্রেট' করছেন এবং হত্যাকারীদের উৎসাহিত করছেন। এটা তাদের মানসিক বিকারগ্রস্ততা প্রমাণ করে। আর এই ধরনের মানসিক বিকারগ্রস্ত ও জুলাই অভ্যুত্থান-বিদ্বেষীরা কিভাবে ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

সচেতন মহলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ যখন কোনো প্রোপাগান্ডা ছড়ায়, আনিস আলমগীররা তা যাচাই ছাড়াই প্রচার করেন। কিন্তু সন্দেহভাজন হামলাকারী হিসেবে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার নাম আসার পরও তারা ‘হাস্যকরভাবে আওয়ামী লীগকে টেনে আনা হচ্ছে’ বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন।

এছাড়া, আওয়ামী লীগের চিহ্নিত দোসররা দেশের বৃহত্তম একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মিডিয়া গ্রুপসহ একাধিক চ্যানেলে 'সফট লীগ' সেজে সরকারের সমালোচনা করার আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বুলি আওড়িয়ে হাদির মতো কর্মীদের 'রাজাকার' ট্যাগিং করে হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, বামপন্থী নেতা-কর্মী, সুশীল সমাজ এবং '৭১-এর মুক্তিযোদ্ধা নামধারী ব্যক্তিরা—যারা সাধারণত যেকোনো হামলার প্রতিবাদে সরব হন—তারা হাদির ঘটনায় নিশ্চুপ থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, হাদির ওপর হামলার ঘন্টায় নিন্দা করে এখনও ১২১ নাগরিক, ২৫১ বুদ্ধিজীবী, ৩০১ সংস্কৃতি কর্মীর বিবৃতি পাইলাম না। পান থেকে চুন খসলেও, যারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে দেশে উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে শঙ্কা করে বক্তৃতা বিবৃতি দেন, হাদির ওপর হামলার পর তাঁরা নিরব কেন?

অনেকেই এসব তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের দেশের প্রধান ভাইরাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যারা চেতনার ব্যবসার সুযোগ না থাকায় এই হামলার ঘটনায় মুখ খোলেননি। তারা হাসিনার দোসরদের টক-শোতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলগুলোর লাইসেন্স বাতিলের আন্দোলন করার হুমকি দিয়েছেন।

জুলাই বিপ্লবীদের সমর্থক এস এম সাইফ মোস্তাফিজ এবং সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের মতো ব্যক্তিরা খোলাখুলিভাবে তাদের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধ ঘোষণা' করেছেন। তারা কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন, ‘‘আজকে থেকে নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্টদের সিম্প্যাথাইজার, তাদের পক্ষে বয়ান উৎপাদনকারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবী, টকশো জীবী, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং এদেরকে প্রোমট করা মিডিয়া হাউজ, পত্রিকা, স্পন্সরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি।এখন থেকে যারা আনিস আলমগীর, আবদুন নুর তুষার, কথা কামাল, পান্না ও শাওনসহ এদের সঙ্গে টকশোতে যাবেন কিংবা একই সুরে কথা বলবেন, এদের সবাইকে বয়কট করতে হবে। জুলাইয়ের অবমাননা যারা করবে, তাদেরই আমরা মার্কেট আউট করে দেব।’’

হাদিকে গুলি করার প্রধান সন্দেহভাজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতার জামিনের ঘটনায় বিচার বিভাগ এবং আইনজীবীদের একটি অংশের প্রতিও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কতিপয় বিচারক ও আইনজীবীদের ‘যৌথ চক্র’ টাকার বিনিময়ে 'দুর্ধর্ষ খুনিদের' গণহারে জামিন দিচ্ছে। জামিন করানোয় জড়িত বিচারক ও আইনজীবীদের নাম প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

বর্তমানে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা জুলাই যোদ্ধা এবং এদেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী ওসমান হাদির উপর হামলার ঘটনাটিকে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যথাযথভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সমালোচনা করেছেন অনেকে। অভিযোগ উঠেছে, তারা আসল শত্রুকে ভুলে গিয়ে নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়িতে ব্যস্ত। ফলে হাদিদের মতো সাহসী বীর ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের জমকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে, ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম দাউদসহ অপরাধীকে প্রকাশ্যে গ্রেফতার করতে না পারাকে 'চরম ব্যর্থতা' হিসেবে অভিহিত করছেন সচেতন মহল। পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর ভেতরে লীগের 'দোসররা' বসে আছে, যারা কৌশলে অপরাধীদের আড়াল করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

রপ্তানিকারকদের দ্রুত বৈদেশিক আয় দেশে ফেরত আনা এবং ব্যবসায়িক ঝুঁকি কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানি করা পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বিল কমিয়ে (ডিসকাউন্ট দিয়ে) পরিশোধের আবেদন গ্রহণ করবে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। এর আগে শুধু তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ছিল।

আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারকদের সহায়তায় নতুন নীতি চালু

এতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বিদেশি ক্রেতা যদি পণ্যের মান, বাজার পরিস্থিতি বা শিপমেন্ট-সংক্রান্ত কারণে পুরো বিল পরিশোধ না করে কম দামে পরিশোধ করতে চান, তাহলে রপ্তানিকারকরা যাতে দ্রুত তাদের আয় ফেরত আনতে পারেন, সে জন্যই এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নথি ও নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পারবে।

রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় ডিসকাউন্ট কমিটিতে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ) ও বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ)–কে সহ-সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এই সিদ্ধান্ত রপ্তানিকারকদের নগদ প্রবাহ বজায় রাখতে, বিরোধ কমাতে এবং রপ্তানি আয় আইনগতভাবে দেশে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ, যে কোনো পণ্য বিদেশে যে দামে রপ্তানি করা হয়েছে, কোনো কারণে বিদেশি ক্রেতা যদি সেই পুরো মূল্য পরিশোধ না করে কম টাকা দিতে চায়, তাহলে যেই কম দামে পরিশোধ করার অনুরোধ বা দাবি করা হয়, সেটাই হলো ডিসকাউন্ট ক্লেইম।

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে চালু হচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর)। তবে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন নিয়ে উদ্বেগ কমাতে নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে থাকা সব অনিবন্ধিত ফোন আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধন করে বৈধতা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

১৬ ডিসেম্বরই চালু এনইআইআর, ফোন নিবন্ধন চলবে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

চোরাচালান, ক্লোনিং, রিফার্বিশড ফোন এবং মোবাইলভিত্তিক ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার এনইআইআর চালুর প্রস্তুতি নিলেও ব্যবসায়ীদের দাবির পর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সব অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের নির্দেশনা ছিল। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনা করে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, যাতে বর্তমানে বাজারে থাকা অনিবন্ধিত সব ফোন বৈধভাবে নিবন্ধনের সুযোগ পায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফোন আমদানিতে কোনো বাধা রাখা হয়নি। কোন কোন মডেল বা কত বছরের পুরোনো ফোন আমদানি করা যাবে। এসব বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে। আমদানির ক্ষেত্রে উপযুক্ত সরকারি সংস্থাকে জানানো বাধ্যতামূলক থাকবে।

এ ছাড়া মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এই প্রক্রিয়ায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করবে। আমদানিকারক ও উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে প্রস্তাব তৈরি করে সরকারকে লিখিতভাবে জানাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং মোবাইল ব্যবসায়ী কমিউনিটির নেতারা অংশ নেবেন এবং সমর্থন জানাবেন।

'ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার সিক্সে অন্তরার ধামাকা এন্ট্রি

'ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার সিক্সে অন্তরার ধামাকা এন্ট্রি

ক্যারিয়ারে বেশকিছু কাজ করলেও ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকটি ‘অন্তরা’ চরিত্রটি ফারিয়া শাহরিনকে দিয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। কিন্তু জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকটির পঞ্চম সিজন প্রচারে এলেও সেখানে দেখা মেলেনি এই অভিনেত্রীর। প্রিয় চরিত্রকে না দেখে দর্শকদের কৌতূহলের শেষ ছিল না। অবশেষে সেই অপেক্ষার পালা ফুরোল। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার সিক্স দিয়ে আবারও ধামাকা এন্ট্রি নিলেন ফারিয়া শাহরিন।

'ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার সিক্সে অন্তরার ধামাকা এন্ট্রি

প্রায় দুই বছর পর নিজের চেনা আঙিনায় ফিরতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত অভিনেত্রী। জানালেন, এই ফিরে আসার পেছনের ত্যাগের গল্পও। দুই বছরের অপেক্ষা ও প্রস্তুতি ফারিয়া শাহরিন গণমাধ্যমকে বলেন, “প্রায় দুই বছর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর জন্য অপেক্ষা করেছি। এই সিরিয়ালের পর অন্য কোনো কাজ করিনি। নিজেকে প্রস্তুত করেছি, ওজন কমিয়েছি। এতদিন পর চ্যাপ্টার ৬-এ নিজেকে দেখে খুব শান্তি লাগছে। আশা করছি, দর্শক আমার কামব্যাক দেখে খুশি হবে।”

ভক্তদের প্রশ্নের উত্তর সিজন ৫-এ না থাকায় ভক্তদের প্রশ্নের বাণে জর্জরিত হতে হয়েছে তাকে। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘এতদিন আমার কমেন্ট বক্স ভরে থাকত একটাই প্রশ্নে—আমি কেন সিজন ৫-এ নেই? উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। অবশেষে সব প্রশ্নের উত্তর একসঙ্গেই দিয়ে দিতে পারলাম।’

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত তুমুল জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকে ফারিয়া ছাড়াও আরও অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মিশু সাব্বির, তৌসিফ মাহবুব, শামীমা নাজনীন, অর্চিতা স্পর্শিয়া, পাভেল, আবদুল্লাহ রানা, মনিরা মিঠু প্রমুখ।

গুজরাটে দেহব্যবসা চক্রের হাত থেকে ১২ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

গুজরাটে দেহব্যবসা চক্রের হাত থেকে ১২ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

 ভারতের গুজরাটের ভারুচ জেলা পুলিশের লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (এলসিবি) এবং স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপের (এসওজি) যৌথ অভিযানে একটি দেহ ব্যবসা চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছে। এই অভিযানে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ১৪ জন নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর দিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

গুজরাটে দেহব্যবসা চক্রের হাত থেকে ১২ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার


ভারুচ জেলা পুলিশ শনিবার জানিয়েছে, তারা অবৈধ অভিবাসী সংশ্লিষ্ট একটি দেহব্যবসা চক্রের পর্দাফাঁস করেছে এবং ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও পশ্চিমবঙ্গের দুইজন সহ মোট ১৪ জন নারীকে উদ্ধার করেছে।

এই ঘটনায় চারজন পুরুষকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অবৈধ অভিবাসীদের সহায়তাকারী এজেন্টদের নেটওয়ার্কের অংশ বলে অভিযোগ রয়েছে।

অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সন্ধানে ভারুচ জেলা পুলিশের এলসিবি এবং এসওজির একটি যৌথ অভিযানের সময় এলসিবি পুলিশ পরিদর্শক এম পি ভালা একটি গোপন তথ্য পান। তথ্যটি ছিল ফারুক শেখ নামে একজন বাংলাদেশি এজেন্টের সম্পর্কে। অভিযোগ অনুযায়ী, সে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের জেলায় বসতি স্থাপনে সহায়তা করত। সে বিউটি পার্লার বা গৃহকর্মী হিসেবে চাকরির লোভ দেখাতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফারুক শেখ নারীদের দেহ ব্যবসায় ঠেলে দিত এবং তাদেরকে জাম্বুসারে তার বাড়িতে আটকে রাখত। সেখান থেকে এই পতিতালয়টি পরিচালিত হত।

পুলিশ জানিয়েছে, নারীদের ভারুচ এবং আঙ্কেলেশ্বরের স্পাগুলোতে যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, “এদের মধ্যে তিনজন নারী ভারুচের নাজিম খান পরিচালিত 'মুসকান স্পা'-এ কাজ করত, তিনজন ভারুচের রইস শেখ পরিচালিত একটি গেস্ট হাউসে কাজ করত এবং চারজন নারীকে সুজিতকুমার পরিচালিত আঙ্কেলেশ্বরের একটি স্পাতে পাঠানো হয়েছিল।”

যৌথ পুলিশ দল তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০ জন নারীকে উদ্ধার করে, আর চারজনকে শেখের বাড়িতে পাওয়া যায়।

পুলিশ দাবি করেছে, “ফারুক শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রকাশ করে যে, সে নিজেও বাংলাদেশ থেকে একজন অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ভারতে গিয়েছিল এবং পশ্চিমবঙ্গে ভুয়া পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল। সে এক দশক ধরে গুজরাটের বিভিন্ন শহরে বসবাস করছিল। সে বাংলাদেশি এজেন্টদের নেটওয়ার্ক এবং তার আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের ভারতে প্রলুব্ধ করত। সে তাদের বিউটি পার্লার এবং গৃহকর্মী হিসেবে চাকরির প্রস্তাব দিত...।”

পুলিশ জানিয়েছে, ফারুক শেখ নাকি আরও স্বীকার করেছে, সে ৬০ জন বাংলাদেশি নারীকে অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছে।

“সে আরও স্বীকার করেছে যে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ১২ জন ছাড়াও, সে এজেন্টদের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গোয়া, মহারাষ্ট্র এবং রাজস্থানের মতো অন্যান্য রাজ্যে অন্যান্য বাংলাদেশি নারীদের বসতি স্থাপনে সহায়তা করেছিল,” দাবি পুলিশের।

পুলিশ জানায়, অভিযানকালে মোবাইল ফোন এবং ৬৪,০০০ টাকা ছাড়াও বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয়পত্রও উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত চারজন পুরুষ হচ্ছেন শেখ, নাজিম খান, রইস শেখ এবং সুজিতকুমার ঝা। তাদের বিরুদ্ধে ইম্মোরাল ট্র্যাফিক (প্রিভেনশন) অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর বিভিন্ন ধারা এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।